ক্যান্সার হল শরীরের কোষগুলোর অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধির ফল। সাধারণত কোষগুলো নিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হয়, তবে যখন এই প্রক্রিয়াটি ব্যাহত হয়, তখন অস্বাভাবিক কোষ বেড়ে ওঠে এবং টিউমার গঠন করে। কিছু ক্ষেত্রে, এই কোষগুলো শরীরের অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা ম্যালিগন্যান্ট ক্যান্সার নামে পরিচিত।
প্রথমত, জিনগত পরিবর্তন বা মিউটেশন ক্যান্সারের একটি প্রধান কারণ। কিছু ক্ষেত্রে জন্মগতভাবেই জিনগত সমস্যা থাকতে পারে, আবার পরিবেশগত কারণেও মিউটেশন ঘটতে পারে।
দ্বিতীয়ত, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ক্যান্সারের অন্যতম কারণ। ধূমপান, মদ্যপান, প্রক্রিয়াজাত খাবার গ্রহণ, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চার অভাব ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।
তৃতীয়ত, পরিবেশগত কারণ যেমন দূষিত বায়ু, রাসায়নিক পদার্থ, অতিবেগুনি রশ্মি (UV Ray) এবং তেজস্ক্রিয় বিকিরণ ক্যান্সার সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
চতুর্থত, ভাইরাস ও সংক্রমণ কিছু নির্দিষ্ট ভাইরাস ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে, যেমন হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস (HPV) এবং হেপাটাইটিস বি ও সি ভাইরাস।
পঞ্চমত, মানসিক চাপ ও অনিদ্রা দীর্ঘমেয়াদী মানসিক চাপ ও ঘুমের অভাব শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল করে এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়।
অতএব, সঠিক জীবনযাত্রা অনুসরণ, স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করালে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সম্ভব।
লেখকঃ
সিনিয়র কনসালটেন্ট ও কোঅর্ডিনেটর